বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ, বিশেষ প্রতিনিধি : বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন (২০২৩) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)। যিনি এই সিটি নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ের যুদ্ধে প্রচার-প্রচারণায় ধর্ম, বর্ণ, জাতপাত এবং দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হন। জনমনে কথা উঠেছে- ভোটযুদ্ধে তিনি ভদ্র, অমায়িক, সৎ ও নীতিবান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর সহধর্মীনি লুনা আব্দুল্লাহ নগরজুড়ে ভোটারদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে নারী ভোটারদের মন জয় করতে সক্ষম হন লুনা।

খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, সবকিছু ম্যান টু ম্যান ভেরি করে। বিজয়ী হলে বরিশালের উন্নয়ন করার নিশ্চয়তা আমি দিয়েছি। যার কারণে জনগণ আমাকে ভোট দিবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত রোববার (১১ জুন) বেলা দেড়টায় বরিশাল শহরের সদররোডস্থ আওয়ামী লীগ প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, সবকিছু ম্যান টু ম্যান ভেরি করে। বিজয়ী হলে বরিশালের উন্নয়ন করার নিশ্চয়তা আমি দিয়েছি। যার কারণে জনগণ আমাকে ভোট দিবে বলে আমি বিশ্বাস করি। সেইসঙ্গে বিএনপির সমর্থকরাও মনে করছে আমাকে ভোট দিতে পারলে নগরবাসী সেবা পাবে। দল-মত নির্বিশেষে সব মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাকে ভোট দিবে।
সেইসঙ্গে বিএনপির সমর্থকরাও মনে করছে আমাকে ভোট দিতে পারলে নগরবাসী সেবা পাবে। দল-মত নির্বিশেষে সব মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাকে ভোট দিবে।
এ সময় নির্বাচনের পরিবেশ আর প্রতিপক্ষ প্রার্থীর বিভিন্ন অভিযোগ খণ্ডন করে তিনি বলেন, যেহেতু আমি আওয়ামী লীগের প্রার্থী, আমার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ থাকতেই পারে, করতেই পারে। কিন্তু আমার দৃষ্টিতে সবকিছু স্বাভাবিক ও চমৎকার পরিবেশ দেখতে পাচ্ছি। এখানে কোনো অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পাচ্ছিনা।
তিনি বলেন, অভিযোগ যে কেউ করতে পারেন। কোনো বিষয়ে আমি পাল্টা জবাবও দিতে চাই না। তবে আমি বলব, নির্বাচনের পরিবেশটা ভালো আছে। ইনশাল্লাহ এখানে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।
ভোটের জন্য বস্তিতে অর্থ বিতরণ, সিটিতে বহিরাগতদের বিচরণসহ জাতীয় পার্টির প্রার্থীর তোলা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব অভিযোগ সঠিক নয়।
সিটি নির্বাচন হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। যেকোনো নির্বাচনের প্রভাব থাকলেও এ ধরনের নির্বাচনের প্রভাব জাতীয় নির্বাচনে পড়বে না বলে আমার ধারণা।
বরিশাল সিটি নির্বাচন আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সিটি নির্বাচন হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। যেকোনো নির্বাচনের প্রভাব থাকলেও এ ধরনের নির্বাচনের প্রভাব জাতীয় নির্বাচনে পড়বে না বলে আমার ধারণা।
মেয়র প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, আমি অভিযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। ধর্মকে কেউ যদি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সেটা তারাই খতিয়ে দেখবে। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল অব: হাফিজ মল্লিক, এক সময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালুল করীম, সাবেক সাংসদ জেবুন্নেছা আফরোজ, এ্যাডঃ কেবিএস আহমেদ কবির, বরিশাল মহানগর আওয়ামী যুবলীগ এর যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হক খান মামুনসহ দলীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে (২০২৩) মেয়র পদে কোন প্রার্থী জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন? কে হতে যাচ্ছেন আগামীর বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র? এ নিয়ে ভোটের মাঠে নানা আলোচনায় আলোচিত হচ্ছে। নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডজুড়েই মেয়র পদ প্রার্থীদের বৈশিষ্ট্য নিয়ে চলছে সর্বত্র আলোচনা।
নাগরিকরা বলছেন, স্বল্প সময়েই নগরবাসীর মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন খোকন সেরনিয়াবাত। ভোটযুদ্ধে তিনি ভদ্র, অমায়িক, সৎ ও নীতিবান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর সহধর্মীনি লুনা আব্দুল্লাহ’র গণসংযোগে নগরজুড়ে নারী ভোটারদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে।
তিনি তাঁর স্বামীর পক্ষে প্রচারণায় নারী ভোটারদের মন জয় করতে সক্ষম হন। অর্থাৎ লুনা আব্দুল্লাহ’র প্রচারণার কারিশমায় নৌকার প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাতকে অনেক এগিয়ে দিয়েছেন।
আর সিটিতে নারী ভোটারদের সংখ্যাও বেশি। নারীদের পাশাপাশি লুনা আব্দুল্লাহ নতুন ভোটারদেরও মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন।
সাধারন জনগণের ভাষ্য, মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে ভোটযুদ্ধে জনপ্রিয়তায় সবার শীর্ষে রয়েছেন খোকন সেরনিয়াবাত।
বিগত দিনে ভোটের হিসাবের পরিসংখ্যান বলছে- বরিশাল নগরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুটি বৃহৎ ভোট ব্যাংক রয়েছে। সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্য দলগুলো এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কোন ভোট ব্যাংক নেই। বলা হচ্ছে-বিএনপি এই সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় তাদের কর্মী-সমর্থকরা ভোটে বেশ অনাগ্রহী। তবুও বিএনপি সমর্থিতদের একটি অংশ ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন।
বিএনপির ভোটে হাতপাখা বেশি ভাগ বসানোর কথা চাউর ঘটালেও বাস্তবতা ভিন্ন। কারণ বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা কখনোই চরমোনাই পীর সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দিবেন না। এরমধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় রাজনীতির বিভিন্ন বিষয় রয়েছে। বিএনপির হাইকমাণ্ডও চরমোনাইকে পছন্দ করে না। আর বরিশালের প্রেক্ষাপটে রয়েছে আরেক ভিন্ন কারণ। বেশ কয়েক বছর আগে বরিশাল বিএনপির প্রভাবশীল নেতা দলের যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. মজিবুর রহমান সরোয়ারকে চরমোনাই এলাকায় আটকে রেখে হত্যা চেষ্টা চালিয়েছিল চরমোনাই পীরের অনুসারীরা। তৎকালীন সময়ে চরমোনাই পীরের মুজাহিদ বাহিনীর হামলায় সাবেক সাংসদ সরোয়ারের দাতও ভেঙ্গে ফেলে। এক্ষোভ রয়েছে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মাঝে। এ হিসেবে হাতপাখা বিএনপির ভোটে তেমন ভাগ বসাতে পারবে না বলে মনে করেন খোদ বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
এক্ষেত্রে বিএনপির ভোটে হাতপাখা বেশি ভাগ বসানোর কথা চাউর ঘটালেও বাস্তবতা ভিন্ন। কারণ বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা কখনোই চরমোনাই পীর সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দিবেন না। এরমধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় রাজনীতির বিভিন্ন বিষয় রয়েছে। বিএনপির হাইকমাণ্ডও চরমোনাইকে পছন্দ করে না। আর বরিশালের প্রেক্ষাপটে রয়েছে আরেক ভিন্ন কারণ। বেশ কয়েক বছর আগে বরিশাল বিএনপির প্রভাবশীল নেতা দলের যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. মজিবুর রহমান সরোয়ারকে চরমোনাই এলাকায় আটকে রেখে হত্যা চেষ্টা চালিয়েছিল চরমোনাই পীরের অনুসারীরা। তৎকালীন সময়ে চরমোনাই পীরের মুজাহিদ বাহিনীর হামলায় সাবেক সাংসদ সরোয়ারের দাতও ভেঙ্গে ফেলে। এক্ষোভ রয়েছে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মাঝে। এ হিসেবে হাতপাখা বিএনপির ভোটে তেমন ভাগ বসাতে পারবে না বলে মনে করেন খোদ বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। অপরদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস আশায় বসে আছে বিএনপির ভোটে ভাগ বসাতে কিন্তু সে আশাও গুড়েবালি বলে মনে করছেন বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বিএনপির সঙ্গে জাতীয় পার্টির বৈরী সম্পর্ক রয়েছে। যদিও বিএনপি সমর্থিতের যৎসামন্য ভোটে ভাগ বসাতে পারে।
সূত্র বলছে, এবারে বরিশাল সিটি নির্বাচনের চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ক্লীন ইমেজের খোকন সেরনিয়াবাতকে পছন্দ করেন বিএনপি’র কর্মী-সমর্থকরাও। এরফলে চরমোনাই, লাঙ্গল যতোটা না বিএনপির ভোটে ভাগ বসাতে পারবে তার চেয়ে নৌকার প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত বিএনপির ভোটে ভাগ বসাতে পারেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপির কর্মীরা। কারণ একটাই ব্যক্তি হিসেবে খোকন সেরনিয়াবাত অনেক ভালো মনের মানুষ। তাঁর কোন লোভ লালসা নেই। তিনি সৎ ও ভদ্র। ক্লীন ইমেজের ব্যক্তি হিসেবে জনমনে আখ্যায়িত হয়েছেন খোকন সেরনিয়াবাত। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র আহসান হাবীব কামালের পুত্র কামরুল আহসান রুপনও বিএনপি সমর্থিতদের ভোটে ভাগ বসাবেন। তবে-তা আশানুরূপ নয় বলে জানিয়েছেন খোদ বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী।
এবারে আওয়ামী লীগের জন্য সবচেয়ে বড় চমক একজন ভদ্র, অমায়িক, আদর্শবান ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এটাই এখানকার আ’লীগের বড় প্লাজ পয়েন্ট। এছাড়া বিএনপি ভোটের মাঠের বাইরে রয়েছে। আ’লীগের প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত এবং তাঁর সহধর্মীনি লুনা আব্দুল্লাহও স্বল্প সময়েই নগরবাসীর মন কাড়তে সক্ষম হন। আ’লীগের প্লাজ পয়েন্ট হিসেবে ভোটের মাঠে ১৪ দলও ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে।
বিভিন্ন অনুসন্ধানী সূত্র বলছে, এবারে আওয়ামী লীগের জন্য সবচেয়ে বড় চমক একজন ভদ্র, অমায়িক, আদর্শবান ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এটাই এখানকার আ’লীগের বড় প্লাজ পয়েন্ট। এছাড়া বিএনপি ভোটের মাঠের বাইরে রয়েছে। আ’লীগের প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত এবং তাঁর সহধর্মীনি লুনা আব্দুল্লাহও স্বল্প সময়েই নগরবাসীর মন কাড়তে সক্ষম হন। আ’লীগের প্লাজ পয়েন্ট হিসেবে ভোটের মাঠে ১৪ দলও ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে।
অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপসের তেমন ভোট ব্যাংক নেই। এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম এর অবস্থা আরো খারাপ। চরমোনাই পীরের হাতপাখার ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা করলেই সিটিতে তাদের কোন ভোট ব্যাংক নেই। হাতপাখার যারা গলাফাটিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে প্রচারণা চালিয়েছে এদের অধিকাংশই বহিরাগত।
রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠে-চরমোনাই পীরের হাতপাখার প্রার্থী ও তার অনুসারীরা ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার এই সভ্যযুগে কোনভাবেই কাম্য নয়। এরা প্রগতিবিরুদ্ধ অপশুক্তি। এরা নিরাপদের কথা বললেই এদের কাছে কোন কিছুই নিরাপদ নয়। ধর্ম ব্যবসাই এদের মূখ্য।
সবমিলিয়ে, এবারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটযুদ্ধে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামীর বরিশাল সিটি মেয়র হতে যাচ্ছেন খোকন সেরনিয়াবাত।
প্রসঙ্গত : ২০০৩ সালের বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট এনায়েত পীরকে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন এ্যাড. মজিবুর রহমান সরোয়ার। ওই নির্বাচনে বিএনপির আরও দুই প্রার্থী অংশ নেওয়ায় তাদের সম্মিলিত ভোটের হিসাবে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল অর্ধেকেরও কম ভোট। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এ্যাড. শওকত হোসেন হিরণ ৫৮৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ছিলেন তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। তৎকালীন নির্বাচনেও বিএনপির আরও দুই প্রার্থী মিলিয়ে পরাজিত প্রার্থীর সমান সংখ্যক ভোট পেয়েছিলেন। তিন প্রার্থী মিলে হিরণের দ্বিগুণ ভোট পেয়েছিলেন। ২০১৩ সালের নির্বাচনে প্রায় ১৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপির একক প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিরণ। অবশ্য ২০১৩ সালের নির্বাচন নিয়ে হিরণ সমর্থকদের ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। অভিযোগ উঠে-আ’লীগের একটি অংশের বিরোধিতার কারণে হিরণকে পরাজিত করা হয়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে স্থানীয় রাজনীতিতে বিএনপির প্রভাবশালী প্রার্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিজয়ী হন। যদিও ওই নির্বাচনটা প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীরা বর্জন করেছিলেন।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply